ফাইনালে নেপালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে দিয়ে সাফ ওমেন'স চ্যাম্পিয়ন টাইটেল নিজেদের করে নিল বাংলার বাঘিনীরা।

দুর্দান্ত ফুটবল খেলেই ফাইনালে এসেছিল বাংলাদেশ। ফাইনালও সেই ধারাবাহিকতা ধরে রেখেই শুরু করেছে সাবিনা খাতুনের দল। সোমবার ফাইনালে নেপালের কাঠমান্ডুর দশরথ রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে নেপালের মুখোমুখি হয় সাবিনা খাতুনের বাংলাদেশ। 

 

তেরো মিনিটের মাথায় মনিকা চাকমার ক্রসে বল নেপালের জালে পাঠান শামসুন নাহার। এর পরে গোলের সুযোগ পেয়ে হাত ছাড়া করলোনা কৃষ্ণা রানী সরকার। ২–০ গোলে এগিয়ে থাকার পর নেপালের হয়ে একমাত্র গোল করেন অনিতা বাসনে। বাংলাদেশের হয়ে শেষ গোলটিও করেন কৃষ্ণা রানী সরকার।

 

এর আগে অনেকবার সাফ কাপে অংশগ্রহণ করলেও কখনও চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি বাংলাদেশ। ছেলেরা যা করতে পারলোনা তা এবার করে দেখালো মেয়েরা। এই সোমবারটিকে বাংলাদেশের কাছে এক ঐতিহাসিক দিন করে দিল বাংলার বাঘিনীরা। মেয়েদের ফুটবল দিন দিন দারুণ ছাপ রাখতে শুরু করল। প্রথমবার বাংলাদেশ জিতল মেয়েদের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ এবং অর্জন করল দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবল শ্রেষ্ঠত্ব। 

 

ফাইনাল ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের সব পুরস্কার আসে বাংলাদেশের দখলে।টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন। তিনি দুটি হ্যাটট্রিকসহ সব মিলিয়ে আট গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কারটি অর্জন করেছেন। 

 

সেরা গোলকিপারও হয়েছেন বাংলাদেশের রূপনা চাকমা। রূপনার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ফাইনালে নেপালের একমাত্র গোলটি ছাড়া আর কোনো গোল তার জালে আটকাতে পারেনি বাকি চার প্রতিপক্ষ দলের কেউ। ম্যাচ সেরার পুরস্কার পেয়েছেন বাংলাদেশের কৃষ্ণা রাণী সরকার। সাফের ট্রফি জয়ের সঙ্গে ফেয়ার প্লে ট্রফিটাও জিতেছে তারা। 

 

ইতিহাস রচনায় তারা প্রতিটি শাখায় প্রমাণ দিয়েছে শ্রেষ্ঠত্বের।