রিয়াদে বিশ্ব প্রতিরক্ষা সামগ্রীর প্রদর্শনীতে সৌদি সরকারের আমন্ত্রণে যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামান খান কামাল এমপি। এছাড়া সৌদি সরকারের আমন্ত্রণে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদও প্রদর্শনীতে যোগ দেন।

রিয়াদের এ প্রদর্শনীতে সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারীও অংশগ্রহণ করেন। 

রোববার এ প্রতিরক্ষা প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়। ৯ মার্চ পর্যন্ত চার দিনব্যাপী এ প্রদর্শনীতে মোট আশিটি দেশের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিসহ ৩০ হাজার দর্শনার্থী অংশগ্রহণ করবে। 

সৌদি মিলিটারি ইন্ডাস্ট্রির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়ালিদ আবু খালিদ বলেন, বর্তমানে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা শিল্প বিশ্বে ৮৫ নম্বর র‍্যাংকিংয়ে অবস্থান করছে। ২০৩০ সাল নাগাদ তা প্রথম ২৫টি দেশের মধ্যে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সৌদি সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে প্রতিরক্ষা সামগ্রীর শতকরা ৫০ ভাগের ও বেশি স্থানীয়করণের জন্য কাজ করছে বলে জানিয়েছেন সৌদি জেনারেল অথরিটি অফ মিলিটারি ইন্ডাস্ট্রির গভর্নর আহমেদ আলওহালি। 

তিনি আরও বলেন, আমরা এ প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুল আগ্রহ দেখেছি এবং এ শিল্পের উদ্ভাবনের জন্য নেটওয়ার্কিং এবং আন্তঃসীমান্ত অংশীদারিত্বের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ প্রদানের জন্য উন্মুখ রয়েছি। আমাদের দরজা আন্তর্জাতিক নির্মাতা এবং পরিষেবা প্রদানকারীদের জন্য উন্মুক্ত, যারা প্রযুক্তি হস্তান্তর, প্রতিভা বিকাশ এবং প্রতিরক্ষা শিল্পায়নের জন্য আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি ভাগ করে নেবে। এ প্রদর্শনীতে প্রতিরক্ষাসামগ্রীর সর্বাধুনিক প্রযুক্তিগত উন্নয়ন প্রদর্শন করা হচ্ছে, যা এ খাতের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন ত্বরান্বিত করবে বলে জানান আয়োজকরা জানিয়েছেন।

প্রদর্শনীতে শতাধিক স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক কোম্পানি তাদের প্রতিরক্ষাসামগ্রী প্রদর্শন করছে। তার মধ্যে লকহিড মার্টিন, বোয়িং, জেনারেল ডায়নামিক, নাভান্তিয়া, বিএই সিস্টেম, এল ৩হারিস এবং নরিনকো অন্যতম। 

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল মো. জুবায়ের সালেহীন, লেফটেন্যান্ট কর্নেল শেখ আবু ফারুক সালেহীন, মেজর গাজী হোসাইনও প্রদর্শনীতে যোগ দেন। এছাড়া দূতাবাসের ডিফেন্স এ্যটাশে বিগ্রেডিয়ার জেনারেল সাঈদ সিদ্দিকী, মিশন উপপ্রধান আবুল হাসান মৃধা ও দূতাবাসের মিনিস্টার (কন্সূ্লার) এস এম রাকিবউল্লাহ প্রদর্শনীতে অংশ নেন ।