নিউইয়র্কে নবাগত বাংলাদেশের কন্সাল জেনারেল মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের ইমেজকে এই বহুজাতিক সমাজ তথা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও বাড়াতে কাজ করতে চাই। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন সেক্টর এবং মূলধারার রাজনীতি-ব্যবসায় যারা বিশেষ একটি অবস্থানে উঠেছেন, তাদেরকে পাশে নেব। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচক্ষণতাপূর্ণ নেতৃত্বে বাংলাদেশে চলমান উন্নয়ন-অগ্রগতির সাথে এখানকার সচেতন প্রবাসীগণের সম্পৃক্ততা আরও জোরালো করতে চাই। তাহলে প্রবাসের অভিজ্ঞতায় বাংলাদেশের উন্নয়নে সেই প্রবাসীরাও ভূমিকা পালনে সক্ষম হবেন।

মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম নিউইয়র্কে বাংলাদেশে ষোড়শ কন্সাল জেনারেল। তুরস্কের ইস্তাম্বুলে একই দায়িত্ব শেষে ২০ জানুয়ারি নিউইয়র্ক অফিসে যোগদান করেছেন মাদারীপুরের সন্তান মনিরুল। ২৮ জানুয়ারি শুক্রবার অপরাহ্নে কন্স্যুলেট অফিসে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও স্বাগত জানান যুক্তরাষ্ট্র সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম এবং আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের শীর্ষ কর্মকর্তারা। এ টিমে ছিলেন প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা রাশেদ আহমেদ, প্রেসক্লাবের সেক্রেটারি আবুল কাশেম, যুগ্ম সম্পাদক শাহ ফারুক, সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের ভাইস প্রেসিডেন্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার চুন্নু এবং নির্বাহী সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা লাবলু আনসার। ডেপুটি কন্সাল জেনারেল এস এম নাজমুল হাসান হৃদ্যতাপূর্ণ এ স্বাগত অনুষ্ঠানে নতুন কন্সাল জেনারেলকে সকলের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন। এ সময় সেখানে কাউন্সিলর আয়শা হক এবং ফার্স্ট সেক্রেটারি প্রসূন কুমার চক্রবর্তীও ছিলেন।

এই কন্স্যুলেটের আওতায় শুধু নিউইয়র্ক নয়, আরও ৭টি স্টেট রয়েছে। এগুলো হচ্ছে কানেকটিকাট, নিউ হ্যামশায়ার, নিউ জার্সি, মেইন, ম্যাসেচুসেটস এবং রোড আইল্যান্ড। অর্থাৎ ৫ লাখের অধিক প্রবাসীকে সেবা দিতে হচ্ছে। সেবার মান অটুট রাখার পাশাপাশি সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে আরও বেশি কিছু করতে পিছপা হবেন না বলে উল্লেখ করেন মনিরুল ইসলাম। বিশেষ করে প্রবাসীরা যাতে প্রত্যাশা অনুযায়ী দ্রুততম সময়ে তার সেবা পান সেদিকে সর্বোচ্চ দৃষ্টি রাখবেন। এজন্য গণমাধ্যমসহ সুধীজনের আন্তরিক সহায়তা চেয়েছেন।
নিজস্ব ভবনে কন্স্যুলেট অফিস স্থাপনে প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের একটি স্বপ্ন পূরণে মনিরুল ইসলাম ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম শহীদুল ইসলামের নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করার কথাও জানালেন। বিভিন্ন সার্ভিসের জন্যে কন্স্যুলেটে আসা মুক্তিযোদ্ধাগণকে বিশেষ সম্মান এবং কাজটি অগ্রাধিকারভিত্তিতে করবেন বলেও জানালেন। করোনা পরিস্থিতি সত্ত্বেও এখন দৈনিক গড়ে দু’শতাধিক প্রবাসীকে সেবা দেয়া হচ্ছে বলে উল্লেখ করলেন কন্সাল জেনারেল।