করোনা মহামারির অভিঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে সহায়তা হিসেবে বাংলাদেশকে ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া। প্রতি ডলার ৮৫ টাকা ধরলে এর পরিমাণ দাঁড়ায় ৮৫০ কোটি টাকা।

মঙ্গলবার (২১ ডিসেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) বিষয়ে বাংলাদেশ দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের মধ্যেপ্রোগ্রাম লোন ফর সাসটেইনেবল ইকোনমিক রিকভারিসংক্রান্ত এক ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে

এতে স্বাক্ষর করেন ইআরডির এশিয়া, জেইসি এফঅ্যান্ডএফ অনুবিভাগ প্রধান মো. শাহ্রিয়ার কাদের ছিদ্দিকী; দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের পক্ষে সই করেন কোরিয়া এক্সিম ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর কিম টে-সো।

বলা হয়েছে, অর্থ বিভাগ কর্তৃকপ্রোগ্রাম লোন ফর সাসটেইনেবল ইকোনমিক রিকভারি প্রোগ্রাম (সাবপ্রোগ্রাম-)’ এর আওতায় এই ঋণ পাবে বাংলাদেশ।

ঋণের বাৎসরিক সুদের হার হবে .০৫ শতাংশ। ১৫ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ (এই সময়ে ঋণের আসল বা সুদ পরিশোধ করতে হবে না) মোট ৪০ বছরের মধ্যে এই ঋণ ফেরত দিতে হবে।

ইআরডি জানায়, এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের ঘাটতি বাজেটের জন্য বৈচিত্র্যময় উৎস সৃষ্টি হবে।

প্রোগ্রামের আওতায় ইসলামিক ব্যাংকগুলোকে সরকারের ঋণ গ্রহণ কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্তি করা, ডিজিটালাইজেশনসহ উন্নত কর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কর ফাঁকি রোধ করা, ভ্যাট আদায় নিশ্চিত করা, কর দাতার সংখ্যা বৃদ্ধির মাধ্যমে আয়করের পরিমাণ বাড়ানো, দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে উন্নত কর সেবা প্রদান, উইথহোল্ডিং করের জন্য ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে উন্নত ব্যবস্থাপনা, করোনার প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত উদ্যোক্তাদের সহায়তা এবং অর্থনীতির গতি পুনরুদ্ধারে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে

চুক্তি অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরিয়া সরকার পাঁচ বছরের জন্য বাংলাদেশকে ৭০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত নমনীয় ঋণ দেবে বিশ্বব্যাপী ইডিসিএফ ঋণপ্রাপ্তির দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ বাংলাদেশ পর্যন্ত কোরিয়া প্রজাতন্ত্র বাংলাদেশের ২৪টি উন্নয়ন প্রকল্পে ইডিসিএফের মাধ্যমে অর্থায়ন করেছে যার মোট পরিমাণ দশমিক বিলিয়ন মার্কিন ডলার