বাংলাদেশে ক্লিন ফিড পাঠানো ২৪টি বিদেশি চ্যানেল সম্প্রচারে কোনো বাধা নেই। এরপরেও কেবল অপারেটরা এসব চ্যানেল বন্ধ রেখে লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করছেন বলে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ জানিয়েছেন। 

সচিবালয়ে সোমবার বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের মালিকদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব টিভি চ্যানেল ওনার্সের (অ্যাটকো) প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর এসব তথ্য জানান তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশের আকাশ উন্মুক্ত। সরকারের পক্ষ থেকে কোনো চ্যানেল বন্ধ করা হয়নি, আমরা কোনো চ্যানেল বন্ধ করতেও বলিনি। আমরা আইন বাস্তবায়ন করছি। বিদেশি চ্যানেলকে অবশ্যই বিজ্ঞাপনমুক্ত সম্প্রচার করতে হবে। কিন্তু আমাদের দেশে এটি মানা হচ্ছিল না। 

‘২৪ টির বেশি চ্যানেল বাংলাদেশে ক্লিন ফিড দেয়। এগুলো চালানোর ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই। আকাশ ডিটিএইচ এগুলো চালাচ্ছে। অন্যদেরও এগুলো চালানোর ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই। এ বিষয়ে কোনো পত্রের প্রয়োজন হলে আমরা তা কেবল অপারেটরদের পাঠাবো। যদি এরপরও কেউ এগুলো না চালায় তাহলে লাইসেন্সের শর্তভঙ্গ হবে। সুতরাং শর্তভঙ্গের কাজ কেউ করবেন না।’ 

ক্লিন ফিড সম্প্রচার নিয়ে একটি মহল থেকে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে দাবি করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমি আশা করব তারা বিভ্রান্তি ছড়ানো থেকে বিরত থাকবে। সরকার আইন বাস্তবায়নে বদ্ধ পরিকর। জনগণের স্বার্থে, মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রির স্বার্থে, শিল্পী-কলা কৌশলী, সাংবাদিক সবার স্বার্থে এই আইন কার্যকর করেছি। সুতরাং সবার স্বার্থের বিরুদ্ধে গিয়ে কেউ অবস্থান নেবে সেটি কাম্য নয়। 

অনেকে কেবল অপারেটরের লাইসেন্স নিতে মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছেন জানিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, আমরা সেগুলো যাচাই-বাছাই করছি। প্রয়োজনে আরও লাইসেন্স দেওয়া হবে।