নোয়াখালীর ভাসানচর থেকে পালিয়ে তারা যেতে চেয়েছিল মালয়েশিয়া। তাদের মালয়েশিয়ায় নেওয়ার কথা বলে সমুদ্রের এদিকে–সেদিক ঘুরিয়ে চট্রগ্রামে মিরসরাই সমুদ্র উপকূলে নামিয়ে দেন দালালেরা।

নোয়াখালীর ভাসানচর থেকে পালিয়ে আসা ৩ শিশুসহ এ রকম ১০ জন রোহিঙ্গাকে আটক করেছে মিরসরাইয়ের জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ। এসময় রোহিঙ্গাদের পালাতে সাহায্যকারী দালাল চক্রের তিন সদস্যকেও আটক করা হয়।

রোববার (৩০ মে) দিবাগত মধ্যরাতে তাদেরকে উপজেলার ইছাখালী এলাকা থেকে আটক করা হয় বলে জানিয়েছেন জোরারগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হেলাল উদ্দিন।

আটক রোহিঙ্গারা হলেন- নূরজাহান বেগম (২০), রেহানা আক্তার (১৯), আছিয়া বেগম (১৮), নূর খাইয়াছ (২৫), মিনারা বেগম (২০), মনিয়া বেগম (২০), কহিনা আক্তার (৩২), জিসান (১০), জান্নাতুল নাঈমা (৮) ও জেসমিন আক্তার (১২)।

আটক দালাল চক্রের সদস্যরা হলেন- নোয়াখালীর সুবর্ণচরের বেলাল হোসেন (২৮), একই এলাকার মো. জুয়েল (২০) ও সন্দ্বীপের দিদারুল আলম (২১)।

জোরারগঞ্জ থানার পুলিশ জানায়, আটক তিন দালাল নোয়াখালীর ভাসানচর থেকে মালয়েশিয়া পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে রোহিঙ্গাদের কাছে থেকে ২০ হাজার করে টাকা নেন। পরে ভাসানচর থেকে তাঁদের নৌকায় তুলে সমুদ্রের এদিক–সেদিক ঘুরিয়ে ৩০ মে রাতে মিরসরাইয়ের চরশরৎ এলাকার সমুদ্র উপকূলে নামিয়ে দেন।

তখন সেখানে বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যদের হাতে আটক হন তাঁরা। এরপর তাঁদের থানায় নেওয়া হয়।

জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর হোসেন মামুন বলেন, আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিন দালাল মালয়েশিয়া পৌঁছানোর কথা বলে রোহিঙ্গাদের কাছে থেকে টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেন। আজ সোমবার সবাইকে আদালতে পাঠানো হয়।